নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড

৳ 72

নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড
লেখক : মোস্তাফিজুর রহমান আল-মাদানী
প্রকাশনী : তাওহীদ পাবলিকেশন্স
বিষয় : হালাল-হারাম
পৃষ্ঠা : ২০০
কভার : পেপার ব্যাক
Description

নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড

নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড
প্রকাশনী : তাওহীদ পাবলিকেশন্স
বিষয় : হালাল-হারাম
পৃষ্ঠা :২০০,
কভার : পেপার ব্যাক
বইটি কিনতে কিল্ক করুন: নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড
আরো জানতে কিল্ক করুন: তাওহীদ পাবলিকেশন্স

সম্মানিত পাঠক! শরীয়তে এমন কিছু নিষিদ্ধ কাজ রয়েছে যা কুর’আন ও হাদীসে নিষিদ্ধ বলে ঘোষিত হয়েছে ঠিকই; অথচ তা হারাম ও কবীরা গুনাহ্ হওয়ার ব্যাপারটি সুস্পষ্ট নয়। বরং তা হারামও হতে পারে কিংবা মাকরূহ্ বা অপছন্দনীয়। এতদসত্ত্বেও একজন মু’মিনের কর্তব্য হবে সে আল্লাহ্ তা’আলার আযাবের ভয়ে এমন সকল কর্মকাণ্ডও পরিহার করবে যা আল্লাহ্ তা’আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষিদ্ধ করেছেন। চাই তা হারাম হোক কিংবা মাকরূহ।

সাহাবায়ে কিরাম রাযিয়াল্লাহু আনহুম-এর আমলও এমনটিই ছিলো। তাঁরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পবিত্র মুখে যে কোন নিষিদ্ধ কাজের কথা শুনলেই তা পরিহার করতেন। তাঁরা কখনো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দ্বিতীয়বার এ প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করতেন না যে, উক্ত নিষিদ্ধ কাজটি হারাম নাকি মাকরূহ। উপরন্তু কোন মানুষ মাকরূহ কাজগুলো করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা ধীরে ধীরে তাকে হারাম কাজ ও কবীরা গুনাহ্ করতে উৎসাহী করে তুলবে। শুধু একটি হারাম কাজ নয় বরং অনেকগুলো হারাম কাজ করাই তখন আর তার গায়ে বাধবেনা। এ ছাড়াও মাকরূহ কাজ থেকে বেঁচে থাকা সাওয়াব অর্জনের এক বিশেষ মাধ্যমও বটে। তাই আরো কিছু শরীয়ত নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড জানতে আজই নিম্নোক্ত নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড বইটি সংগ্রহ করুন।

মুসলিম সমাজের ধর্মীয় জ্ঞান শুন্য তার দরুন অনেক ধরনের হঠকারিতায় বিরাজমান। তন্মধ্যে লঘু পাপে গুরু মনে করা এবং গুরু পাপকে লোগো মনে করা অন্যতম। অনেকে এমন রয়েছেন যে, যে কাজ পাপের নয় সে কাজকে মহাপাপ বলে গণ্য করেন, অন্যদিকে মহাপাপ কে কিচ্ছুই জ্ঞান করেন না।ঠিক এর বিপরীতে কেউ সামান্য সওয়াবের কাজ কে ফরজ এর চাইতেও বেশী মূল্য দিয়ে থাকেন, অথচ অন্যদিকে ফরজের কোন ধার ধারেন না।

কোরআন ও সহীহ হাদীসে বর্ণিত এমন নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডের বর্ণনা নিয়েই এই পুস্তিকা।আলোচিত গ্রন্থে কোরআন ও সহীহ হাদীসে বর্ণিত ৩০০ এর অধিক নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড উল্লেখ করা হয়েছে,যা থেকে বেঁচে থাকা একজন মুত্তাকী বান্দাহর কর্তব্য।


রাসূল (স) ইরশাদ করেন:

إذا نهَيْتُكُمْ عَنْ شَيْءٍ فَاجْتَنِبُوهُ

অর্থাৎ যখন আমি তোমাদেরকে কোন কিছু নিষেধ করি তখন তোমরা অবশ্যই তা বর্জন করবে। (মুসলিম, হাদীস ১৩৩৭)

الْمَنْهَيَّاتُ

فِي ضَوْءِ مَا وَرَدَ فِي الْكِتَابِ وَالسُّنْةِ

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে

নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড

সংকলনে:

মোস্তাফিজুর রহমান বিন্ আব্দুল আজিজ

সম্পাদনায়ঃ

শাইখ আব্দুল হামীদ আল-ফাইযী আল-মাদানী

প্রকাশনায়:

দারুল ইরফান

ঢাকা বাংলাদেশ


নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড

সূচিপত্রঃ

বিষয়:

  • অবতরনিকা
  • মুখবন্ধ
  • আহলে কিতাব তথা ইহুদি-খ্রিস্টানদের সাথে অমূলক ঝগড়া-ফাসাদ করা
  • পানপাত্রে নিশ্বাস ত্যাগ এবং ডান হাত দিয়ে পবিত্রতার্জন ও লিঙ্গ স্পর্শ করা 
  • নামাযের ভেতর বাম হাতে ভর করে বসা
  • পেয়ালার ভগ্নস্থল দিয়ে পানি পান করা ও পানিতে ফুঁ দেয়া
  • কলসির মুখ দিয়ে পানি পান করা
  • ‘ইশার আগে ঘুম ও ‘ইশার পর গল্প-গুজব করা
  • কারোর বায়ু নির্গমনের আওয়াজে হেঁসে উঠা
  • খাওয়ার শেষে আঙুলগুলো না চেটে হাত খানা ধুয়ে বা মুছে ফেলা
  • সূর্যাস্তের পর থেকে ফজর পর্যন্ত রাত্রি বেলায় কোন কিছু না খেয়ে পরস্পর একাধিক রোযা রাখা
  • ঘুম থেকে জেগেই প্রথমে উভয় হাত তিন বার না ধুয়ে তা কোন পানি ভর্তি পাত্রে প্রবেশ করানো
  • তীর নিক্ষেপ, উট বা ঘোড় দৌড়ের প্রতিযোগিতা ছাড়া অন্য কোন প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা
  • কোমরে হাত রেখে নামায পড়া
  • শুধু জুমু’আহ্’র দিনেই রোযা রাখা এবং শুধু জুমু’আহ্’র রাত্রিতেই নফল নামায পড়া
  • কিলামুখী হয়ে, ডান হাতে, তিনটি ঢিলার কমে অথবা গোবর বা হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা
  • খাদ্য এবং পানীয়তে ফুঁ দেয়া
  • জীবিত ছাগলকে গোস্তের বিনিময়ে বিক্রি করা
  • কোন মুহুরিমা (যে মহিলা মিকাত থেকে হজ্জ বা ‘উমরাহ্’র নিয়্যাত করেছে) মহিলার জন্য নিকাব অথবা হাত মুজা পরা
  • ঘোড়া, উট, গরু, ছাগলকে খাঁসি করানো
  •  ঈদের নামাযের আগেই কুরবানী করা
  • কুরবানীর পূর্বে কুরবানী দাতার জন্য তার নখ ও চুল কাটা
  • কোন মুসলিম ভাইকে যে কোনভাবে আতঙ্কিত করা
  • কোন মুসলমানের মনো সন্তুষ্টি ছাড়া যে কোনভাবে তার সম্পদ খাওয়া
  • মানুষকে দেখানো বা গর্বের বশবর্তী হয়ে মেহমানদারি নিয়ে প্রতিযোগিতাকারী কারোর দা’ওয়াত গ্রহণ করা
  • নামায বা রুকু’ পাওয়ার জন্য দ্রুত পদে মসজিদে আগমন করা
  • মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় অথবা হারানো বস্তুর ঘোষণা দেয়া
  •  কাউকে প্রস্রাব বা পায়খানারত অবস্থায় সালাম দেয়া
  • কারোর সাথে সাক্ষাত করতে গিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করলে তার অনুমতি ছাড়া প্রস্থান করা
  • ঘর বা মসজিদে এমন কিছু রাখা যা নামাযীকে নামায থেকে গাফিল করে
  • জানাযা রাখার আগে কারোর সেখানে বসে পড়া
  • কোন বিবাহিতা মহিলার ঘরে রাত্রি যাপন করা অথবা তার ঘরে একাকী প্রবেশ করা
  • বিচার করার সময় উভয় পক্ষের সম্পূর্ণ কথা মনোযোগ সহকারে না শুনে বিচার কার্য শুরু করা
  • যার সম্পদ হালাল হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি তার দেয়া খাদ্য-পানীয় গ্রহণের সময় তা হালাল কি না জিজ্ঞাসা করা
  • দো’আ করার সময় হে আল্লাহ্! আপনি যদি চান তা হলে আমাকে ক্ষমা করুন এমন বলা
  • খারাপ স্বপ্ন দেখে তা কাউকে বলা
  • কারোর নিকট মেহমান হয়ে তার অনুমতি ছাড়া নিজেই কোন নামাযের ইমামতি করা
  • কেউ গালি দিলে তার প্রতি উত্তরে গালি দেয়া
  • কোথাও মহামারি দেখা দিলে সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়া এবং বাইরে থাকলে সেখানে প্রবেশ করা
  • কারোর একটি মাত্র কাপড় থাকলে নামায পড়ার সময় তা পুরো |
  • শরীরে পেঁচিয়ে পরিধান করা
  • কেউ হাঁচি দিয়ে “আল্হাম্‌দুলিল্লাহ্” না বললেও তার হাঁচির উত্তর দেয়া
  • নিজ ঘরে কখনো নফল নামায না পড়া
  • কোন ধরনের সংবাদ না দিয়ে হঠাৎ রাত্রি বেলায় নিজ স্ত্রীর নিকট উপস্থিত হওয়া
  • কোন জারজ সন্তানকে ওয়ারিসি সম্পত্তি দেয়া
  • খুতুবা চলাকালীন কারোর সাথে কথা বলা
  • নামাযরত অবস্থায় বায়ু নির্গমন সন্দেহে নামায ছেড়ে দেয়া
  • নামাযরত অবস্থায় কাউকে সামনে দিয়ে যেতে দেয়া
  • আরোহণ হিসেবে ব্যবহৃত কোন পশুর গলায় ঘন্টা লাগানো
  • সর্ব প্রথম নিজের সাইড থেকে না খেয়ে প্লেটের মধ্যভাগ থেকেই খাওয়া শুরু করা
  • পিঁপড়া, মৌমাছি, হুদহুদ ও পেঁচাকে হত্যা করা
  • অন্য প্লেট থাকা সত্ত্বেও ইহুদি-খ্রিস্টানদের প্লেটে খাদ্য গ্রহণ করা
  • নিজকে অথবা নিজের ধন-সম্পদ ও সন্তানদেরকে অভিশাপ দেয়া
  • হারাম এলাকার বরই গাছ কাটা
  • কোন কবরের পার্শ্বে ছাগল বা গরু যবাই করা
  • রাত্রি বেলায় কোন রাস্তা-ঘাটে অবস্থান করা
  • নিজের ঘর ছাড়া অন্য কোথাও মহিলাদের নিজের সম্পূর্ণ কাপড় খুলে ফেলা 
  • কোন ক্রীতদাসের তার মনিবের অনুমতি ছাড়া কারোর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া
  • শত্রুর সাক্ষাৎ কামনা করা
  • ধর্ম প্রচার অথবা নিতান্ত কোন প্রয়োজন ছাড়া মুশরিকদের মাঝে অবস্থান করা
  • বিবাহ্-শাদি, তালাক ও গোলাম স্বাধীন করা নিয়ে খেল-তামাসা করা
  • আগুন, পানি ও ঘাস নিতে কাউকে বাধা দেয়া
  • মহিলাদের জন্য রাস্তার মধ্যভাগ দিয়ে চলাফেরা করা
  • দোষ বা গুণ বুঝায় এমন নামে সন্তানদের নাম রাখা
  • চারপাশ ঘেরা নেই এমন ছাদে রাত্রি যাপন করা এবং উত্তাল নদীতে নদী ভ্রমণ করা
  • তীর বা গোলা-বারুদ ইত্যাদি নিক্ষেপ করা শিখে তা ভুলে যাওয়া
  • সর্ব প্রথম নিজের অংশীদারকে না জানিয়ে কোন জমিন বা বাগান বিক্রি করা।
  • চুল বাঁধা অবস্থায় পুরুষদের নামায আদায় করা
  • কবরস্থানে জানাযার নামায আদায় করা
  • লুটতরাজ কিংবা কোন পশু বা মানুষকে জখম করে তার কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকৃত করা
  • কোন মেহমানকে আপ্যায়ন করতে গিয়ে তার আপ্যায়নে নিজ সাধ্যাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করা
  • মল খাওয়া পশুর গোস্ত ও দুধ খাওয়া
  • সিল্ক ও চিতা বাঘের চামড়া বসার কাজে ব্যবহার করা
  • মুখ ঢেকে অথবা কাপড় মাটি ছুঁই ছুঁই করে এমতাবস্থায় নামায পড়া ৭২. যে কোন দণ্ডবিধি মসজিদে প্রয়োগ করা
  • ঔষধের জন্য ব্যাঙ হত্যা করা
  • প্রচারের উদ্দেশ্য ছাড়া হাজীদের কোন হারানো জিনিস রাস্তা থেকে উঠিয়ে নেয়া
  • প্রশাসক গোষ্ঠীর কাউকে কোন কিছু উপঢৌকন দেয়া
  • কুর’আন ও সুন্নাহ্ প্রদর্শিত সঠিক পথ ছেড়ে অন্য যে কোন পথের অনুসরণ করা
  • সুবহে সাদিকের ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে শুধু অনুমানের ভিত্তিতেই ফজরের আযান দিয়ে দেয়া
  • যে কোন ভাবে নিজকে লাঞ্ছনার সম্মুখীন করা
  • কেউ সালাম ছাড়াই কারোর ঘরে ঢুকার অনুমতি চাইলে তাকে সালাম ছাড়াই ঘরে ঢুকার অনুমতি দেয়া 
  • অন্যের নিকট নিজের সাধুতা ও স্বচ্ছতা বর্ণনা করা
  • কোন মহিলার জন্য অন্য কোন মহিলার সাথে মেলামেশার পর তার গঠনাকৃতি নিজ স্বামীর কাছে বর্ণনা করা
  • যিকির ও নামায ছাড়া মসজিদকে অন্য কোন কাজের জন্য পথ হিসেবে ব্যবহার করা
  • জায়গা-জমিন ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে এমনভাবে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া
  • যাতে করে ওয়াজিব কাজে অমনযোগ সৃষ্টি হয়
  • যে কোন ভালো কাজকে ছোট মনে করা
  • কোন সুস্থ-সবল ও ধনী ব্যক্তির জন্য কারোর সাদাকা খাওয়া
  • নিতান্ত কোন প্রয়োজন ছাড়া কোন মৃত ব্যক্তিকে রাত্রি বেলায় দাফন করা
  • কোন কুষ্ঠ রোগীর প্রতি গভীর দৃষ্টিতে তাকানো
  • নিজের প্রয়োজনাতিরিক্ত পানি বিক্রি করা
  • কোন মুসলমান মৃতকে গাল-মন্দ করা
  • কোন মহিলার জন্য নিজকে নিজে অথবা তার জন্য তার কোন
  • আত্মীয়া মহিলাকে কারোর নিকট বিবাহ্ দেয়া
  • মোরগকে গালি দেয়া
  • বাতাসকে গালি দেয়া
  • জ্বরকে গালি দেয়া
  • রিযিক আসতে দেরি হচ্ছে এমন মনে করা
  • তিনটি মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও সাওয়াবের নিয়্যাতে সফর করা
  • মু’মিন ছাড়া অন্য কারোর সাথে চলাফেরা করা এবং মুত্তাকী ছাড়া অন্য কাউকে খানা খাওয়ানো
  • উট, গরু কিংবা ছাগলের স্তনে কয়েক দিনের দুধ একত্রে জমিয়ে রেখে সেগুলোকে অন্যের নিকট বিক্রি করা
  • উট বসার জায়গায় নামায পড়া
  • নিজে যা খায় না এমন কোন জিনিস কোন মিসকিনকে খেতে দেয়া
  • একই দিনে কোন ফরয নামায দু’বার পড়া
  • কোন ব্যাপারে মনে সন্দেহ আসার পরও তা করা
  • কারোর বাহ্যিক আমল দেখেই তার ভালো পরিণতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া
  • আল্লাহ্ তা’আলার শাস্তি তথা আগুন দিয়ে কাউকে শাস্তি দেয়া 
  • বাচ্চাদের আলজিহ্বায় আঘাত করে তাদের গলা ব্যথার চিকিৎসা করা 
  • শরীয়ত সমর্থিত কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই কারোর সাথে রাগ করা 
  • কখনো কোন অঘটন ঘটলে শয়তান ধ্বংস হোক এমন বলা
  • জায়গা-জমিন ও ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে এমনভাবে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া
  • যাতে করে ওয়াজিব কাজে অমনযোগ সৃষ্টি হয়
  • যে কোন ভালো কাজকে ছোট মনে করা
  • কোন সুস্থ-সবল ও ধনী ব্যক্তির জন্য কারোর সাদাকা খাওয়া
  • নিতান্ত কোন প্রয়োজন ছাড়া কোন মৃত ব্যক্তিকে রাত্রি বেলায় দাফন করা
  • কোন কুষ্ঠ রোগীর প্রতি গভীর দৃষ্টিতে তাকানো
  • নিজের প্রয়োজনাতিরিক্ত পানি বিক্রি করা
  • কোন মুসলমান মৃতকে গাল-মন্দ করা
  • কোন মহিলার জন্য নিজকে নিজে অথবা তার জন্য তার কোন
  • আত্মীয়া মহিলাকে কারোর নিকট বিবাহ্ দেয়া
  • মোরগকে গালি দেয়া
  • বাতাসকে গালি দেয়া
  • জ্বরকে গালি দেয়া
  • রিযিক আসতে দেরি হচ্ছে এমন মনে করা
  • তিনটি মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও সাওয়াবের নিয়্যাতে সফর করা
  • মু’মিন ছাড়া অন্য কারোর সাথে চলাফেরা করা এবং মুত্তাকী ছাড়া অন্য কাউকে খানা খাওয়ানো
  • উট, গরু কিংবা ছাগলের স্তনে কয়েক দিনের দুধ একত্রে জমিয়ে রেখে সেগুলোকে অন্যের নিকট বিক্রি করা
  • উট বসার জায়গায় নামায পড়া
  • নিজে যা খায় না এমন কোন জিনিস কোন মিসকিনকে খেতে দেয়া
  • একই দিনে কোন ফরয নামায দু’বার পড়া
  • কোন ব্যাপারে মনে সন্দেহ আসার পরও তা করা
  • কারোর বাহ্যিক আমল দেখেই তার ভালো পরিণতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া
  • আল্লাহ্ তা’আলার শাস্তি তথা আগুন দিয়ে কাউকে শাস্তি দেয়া 
  • বাচ্চাদের আলজিহ্বায় আঘাত করে তাদের গলা ব্যথার চিকিৎসা করা 
  • শরীয়ত সমর্থিত কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই কারোর সাথে রাগ করা 
  • কখনো কোন অঘটন ঘটলে শয়তান ধ্বংস হোক এমন বলা
  • নিজ অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট থাকা এবং যা করেনি তার জন্য কারোর প্রশংসা কামনা করা
  • যে বাচ্চা নিজের ভালো-মন্দ বুঝে না এমন অবুঝের হাতে কোন ধন-সম্পদ তুলে দেয়া
  • কোন মহিলা স্বামীর অবাধ্য হওয়ার পর আবারো সঠিক পথে ফিরে আসলে তাকে পুনরায় যে কোন ভাবে কষ্ট দেয়া
  • কোন মৃত ব্যক্তিকে কবরের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় যে কোন
  • শরীয়ত বেরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া
  • গোসলখানায় প্রস্রাব করা
  • মসজিদ নিয়ে পরস্পর গর্ব করা
  • কোন মসজিদের দরজায় প্রস্রাব করা
  • কোন পুরুষের জন্য জাফরান সুগন্ধি ব্যবহার করা
  • যে কোন দু’ ব্যক্তির মাঝে তাদের অনুমতি ছাড়া বসে পড়া
  • যে ব্যক্তি কথায় ব্যস্ত অথবা ঘুমন্ত এমন কারোর পেছনে নামায পড়া
  • কবরের উপর কোন কিছু লেখা
  • পিয়াজ ও রসুন জাতীয় দুর্গন্ধযুক্ত কোন কিছু খাওয়া
  • নিয়মিতভাবে প্রতিদিন মাথার চুল আঁচড়ানো নিয়ে ব্যস্ত থাকা
  • রাত্রি বেলায় কোন ফল বা ফসল কাটা
  • কুর’আন মাজীদ নিয়ে যে কোনভাবে কারোর সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হওয়া
  • বিষাক্ত, নাপাক, হারাম কিংবা ঘৃণ্য কোন বস্তুকে ওষুধ হিসেবে সেবন করা
  • কোন দুধেল পশু যবাই করা
  • কোন প্রাণীর ছবি উঠানো কিংবা ঘরে টাঙ্গানো

নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড

অবতরণিকা

সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ্ তা’আলার জন্য যিনি আমাদেরকে নিখাদ তাওহীদের দিশা এবং সুন্নাত ও বিদ’আতের পার্থক্যজ্ঞান দিয়েছেন। অসংখ্য সালাত ও সালাম তাঁর জন্য যিনি আমাদেরকে তা- কিয়ামত সফল জীবন অতিবাহনের পথ বাতলিয়েছেন। তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবাদের প্রতিও রইল অসংখ্য সালাম ।

মানব সমাজে ধর্মীয় জ্ঞানশূন্যতার দরুন অনেক ধরনের হঠকারিতাই বিরাজমান। তম্মধ্যে লঘু পাপকে গুরু মনে করা এবং গুরু পাপকে লঘু মনে করা অন্যতম । অনেক তো এমনো রয়েছেন যে, যে কাজ পাপের নয় সে কাজকেও মহাপাপ বলে গণ্য করেন। অন্য দিকে মহাপাপকে কিচ্ছুই জ্ঞান করেন না। ঠিক এরই বিপরীতে কেউ কেউ সামান্য সাওয়াবের ব্যাপারকে ফরযের চাইতেও বেশি মূল্য দিয়ে থাকেন ; অথচ অন্য দিকে তিনি ফরযেরই কোন ধার ধারেন না। যদ্দরুন শরীয়তের দৃষ্টিকোণে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সাওয়াবের কাজ এমনো থেকে যাচ্ছে যে, আজো পর্যন্ত যা কোন না কোন মুসলিম সমাজে কারোর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে নি। অনেক তো এমনো রয়েছেন যে, কোন কোন গুনাহ্’র কাজকে তিনি মহা সাওয়াবের কাজ মনে করছেন এবং সেগুলো সমাজে প্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষভাবে কসরত চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ দয়াপরবশ হয়ে সেগুলোর সঠিক রূপ ধরিয়ে দিতে চাইলে সে উক্ত সমাজের শয়তান প্রকৃতির মানুষ কর্তৃক ইসলামের শত্রু, গাদ্দার, বেঈমান, কাফির, মুনাফিক, মতলববাজ, বেয়াদব, বুযুর্গদের খাঁটি দুশমন ইত্যাদি বিশেষণে আখ্যায়িত হন। সুতরাং সঠিক বিবেচনার জন্য গুনাহ্’র পর্যায় ও স্তরগুলো সঠিকভাবে অনুধাবন করা আমাদের জন্য একেবারেই অত্যাবশ্যক এবং উক্ত উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস।

অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হচ্ছে, এ নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড পুস্তিকাটিতে রাসূল সম্পৃক্ত যতগুলো হাদীস উল্লিখিত হয়েছে সাধ্যমত উহার বিশুদ্ধতার প্রতি সযত্ন দায়িত্বশীল দৃষ্টি রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে নিদেনপক্ষে সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ ‘আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী সাহেবের হাদীস শুদ্ধাশুদ্ধনির্ণয়ন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এতদসত্ত্বেও সকল যোগ্য গবেষকদের পুনর্বিবেচনার সুবিধার্থে প্রতিটি হাদীসের সাথে তার প্রাপ্তিস্থাননির্দেশ সংযোজন করা হয়েছে। তবুও সম্পূর্ণরূপে নিরেট নির্ভুল হওয়ার জোর দাবি করার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছি না।

শব্দ ও ভাষাগত প্রচুর ভুল-ভ্রান্তি বিজ্ঞ পাঠকবর্গের চক্ষুগোচরে আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে ভুল গুরুসামান্য যতটুকুই হোক না কেন লেখকের দৃষ্টিগোচর করলে চরম কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ থাকবো। যে কোন কল্যাণকর পরামর্শ দিয়ে দাওয়াতী স্পৃহাকে আরো বর্ধিত করণে সর্বসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আল্লাহ্ তা’আলা সবার সহায় হোন।

এ নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড পুস্তিকা প্রকাশে যে কোন জনের যে কোন ধরনের সহযোগিতার জন্য সমুচিত কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনে এতটুকুও কোতাহী করছিনে। ইহপরকালে আল্লাহ্ তা’আলা প্রত্যেককে তার আকাঙ্ক্ষাতীত কামিয়াব করুন তাই হচ্ছে আমার সর্বোচ্চ আশা । আমীন সুম্মা আমীন ইয়া রাব্বাল ‘আলামীন সর্বশেষে জনাব আব্দুল হামীদ ফায়ফী সাহেবের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করে পারছিনে। যিনি অনেক ব্যস্ততার মাঝেও আমার আবেদনক্রমে পাণ্ডুলিপিটি আদ্যপান্ত অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখেছেন এবং তাঁর অতীব মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেছেন। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁকে এর উত্তম প্রতিদান দিন, তাঁর জ্ঞান আরো বাড়িয়ে দিন এবং পরিশেষে তাঁকে জান্নাত দিয়ে দিন এ আশা রেখে এখানেই শেষ করলাম ।

লেখক


নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড

মুখবন্ধ

إِنَّ الْحَمْدُ الله ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ، وَنَعُوذُ بالله من شرور أنفُسنا . وَمَنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالَنَا ، مَنْ يُهده الله فَلا مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُضْلِلِ الله فَلَا هَادِيَ لَهُ ،

وَأَشْهَدُ أَنْ لا إِلَهَ إلا اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَريكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা আল্লাহ্ তা’আলার জন্য। আমরা সবাই তাঁরই প্রশংসা করছি, তাঁরই নিকট সাহায্য ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁরই নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি প্রবৃত্তির অনিষ্ট ও খারাপ আমল থেকে। যাকে আল্লাহ্ তা’আলা হিদায়াত দিবেন তাকে পথভ্রষ্ট করার আর কেউ নেই এবং যাকে আল্লাহ্ তা’আলা পথভ্রষ্ট করবেন তাকে হিদায়াত দেয়ারও আর কেউ নেই । আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ তা’আলা ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ সোম) আল্লাহ্ তা’আলার বান্দাহ্ ও একমাত্র তাঁরই প্রেরিত রাসূল ।

ইতিপূর্বে আমি সর্বসাধারণের জন্য গুনাহ্’র পর্যায় ও স্তরগুলো সঠিকভাবে অনুধাবন করার সুবিধার্থে শিরকের উপর দু’টি এবং হারাম ও কবীরা গুনাহ্’র উপর তিনটি পুস্তিকা রচনা করেছি। যা ইতিপূর্বে ছাপানো ও হয়েছে। কুফরির উপরও আরেকটি সবিস্তারিত পুস্তিকা রচনার পরিকল্পনা হাতে রয়েছে।

এরপরও এমন কিছু নিষিদ্ধ কাজ রয়ে গেছে যা কুর’আন ও হাদীসে নিষিদ্ধ বলে ঘোষিত হয়েছে ঠিকই ; অথচ তা হারাম ও কবীরা গুনাহ্ হওয়ার ব্যাপারটি সুস্পষ্ট নয়। তবে তা হারামও হতে পারে কিংবা মাকরূহ্ বা অপছন্দনীয়ও। এতদ্‌সত্ত্বেও একজন মু’মিনের কর্তব্য হবে এই যে, সে আল্লাহ্ তা’আলার আযাবের ভয়ে এমন সকল কর্মকাণ্ডও পরিহার করবে যা আল্লাহ্ তা’আলা ও তদীয় রাসূল নিষিদ্ধ করেছেন। চাই তা হারাম হোক অথবা মাকরূহ্ । সাহাবায়ে কিরাম এর আমলও এমনটিই ছিলো। তাঁরা রাসূল (সা) এর পবিত্র মুখে যে কোন নিষিদ্ধ কাজের কথা শুনলেই তা পরিহার করতেন। তাঁরা কখনো রাসূল ( কে দ্বিতীয়বার এ প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করতেন না যে, উক্ত নিষিদ্ধ কাজটি হারাম না কি মাকরূহ্ । উপরন্তু কোন মানুষ মাকরূহ্ কাজগুলো করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে তা ধীরে ধীরে তাকে হারাম কাজ করতেই উৎসাহী করে তুলবে। শুধু একটি হারাম কাজ নয় বরং অনেকগুলো হারাম কাজ করাই তখন আর তার গায়ে বাধবে না। এ ছাড়াও মাকরূহ্ কাজ থেকে বেঁচে থাকা সাওয়াব অর্জনের এক বিশেষ মাধ্যম।

নিম্নে উক্ত নিষিদ্ধ কর্মগুলো ধারাবাহিকভাবে উল্লিখিত হয়েছে ।

কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত নিষিদ্ধ কর্মসমূহ:

১. আহলে কিতাব তথা ইহুদি-খ্রিস্টানদের সাথে অমূলক ঝগড়া-ফাসাদ করা:

আল্লাহ্ তা’আলা বলেন: অর্থাৎ তোমরা অমূলকভাবে আহলে কিতাবদের সাথে বিতর্ক করো না। বরং তাদের সাথে বিতর্কের সময় সর্বোত্তম পন্থাই অবলম্বন করবে। তবে এ ব্যাপারে তাদের যালিমদের কথা একেবারেই ভিন্ন। তোমরা শুধু বলবেঃ আমরা মূলত তোমাদের প্রতি ও আমাদের প্রতি অবতীর্ণ সকল প্রত্যাদেশেই বিশ্বাসী । আমাদের মা’বূদ ও তোমাদের মা’বূদ একই। আর আমরা তাঁরই নিকট আত্মসমর্পণকারী । (‘আনকাবূত : ৪৬)

২. পানপাত্রে নিশ্বাস ত্যাগ এবং ডান হাত দিয়ে পবিত্রতার্জন ও লিঙ্গ স্পর্শ করা:

আবু কাতাদাহ্ (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল (স) ইরশাদ করেন: অর্থাৎ তোমাদের কেউ যেন পানি পান করার সময় পানপাত্রে নিশ্বাস ত্যাগ না করে। বাথরুমে প্রবেশ করলে যেন ডান হাত দিয়ে নিজ লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে। এমনকি ডান হাত দিয়ে যেন ঢিলা- কুলুপও না করে।’ অন্য বর্ণনায় রয়েছে, অর্থাৎ এমনকি ডান হাত দিয়ে যেন ইস্তিঞ্জাও না করে।

* (বুখারী, হাদীস ১৫৩ মুসলিম, হাদীস ২৬৭) (বুখারি, হাদীস ১৫৩, ১৫৪ মুসলিম, হাদীস ২৬৭)

 

৩. নামাযের ভেতর বাম হাতের উপর ভর দিয়ে বসা:

আব্দুল্লাহ্ বিন্ ‘উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: অর্থাৎ রাসূল (স) নিষেধ করেছেন নামাযের ভেতর বাম হাতের উপর ভর দিয়ে বসতে এবং তিনি বলেন: এ জাতীয় নামায ইহুদিদেরই নামায ।

৪. পেয়ালার ভগ্নস্থল দিয়ে পানি পান করা ও পানিতে ফুঁ দেয়া:

আবু সা’ঈদ্ খুদ্রী (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: অর্থাৎ রাসূল (স) নিষেধ করেছেন পেয়ালার ভগ্নস্থল দিয়ে পানি পান করতে এবং পানিতে ফুঁ দিতে ।

৫. কলসির মুখ দিয়ে পানি পান করা:

আবু সা’ঈদ্ খুদ্রী (বারি) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: অর্থাৎ রাসূল (স) কলসি কাত করে উহার মুখ দিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন 

৬. ’ইশার আগে ঘুম ও ’ইশার পর গল্প-গুজব করা:

ইবনু ‘আব্বাস্ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: অর্থাৎ রাসূল (স) নিষেধ করেছেন ‘ইশার আগে ঘুম যেতে এবং ‘ইশার পর গল্প-গুজব করতে।

(স্বা’হীহুল-জামি’, হাদীস ৬৮২২)

(আবু দাউদ, হাদীস ৩৭২২)

(মুসলিম, হাদীস ২০২৩ আবু দাউদ, হাদীস ৩৭১৯, ৩৭২০) ৬ (স্বা’হীহুল-জামি’, হাদীস ৬৯১৫)

নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড

নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড

Reviews (0)

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড”

Your email address will not be published.

Shopping cart
Facebook Twitter Instagram YouTube WhatsApp WhatsApp

Sign in

No account yet?